রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অন্যের কোম্পানীতে জব হোল্ডার প্রতিটা মানুষেরই স্বপ্ন থাকে নিজেই কোন কোম্পানীর মালিক হওয়ার। নিজেই নিজের বস হওয়ার সুযোগ কে হারাতে চায়?। যদিও অনেক মানুষই বিজনেস শুরু করতে চায় কিন্তু তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যকই সফলতার মুখ দেখে। আপনি যদি সেই অল্প সংখ্যক মানুষদের মাঝে নিজেকে দেখতে চান বেশ কিছু ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। প্রযুক্তির এ যুগে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে কোম্পানীর প্রফিট সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিতে না পারলে আপনার প্রতিযোগীরা আপনাকে অতিক্রম করে ফেলবে সহজেই। দেখে নিন প্রযুক্তির সেই সহজ টুল গুলো যা আপনাকে অপরাজেয় করে তুলবে।

নিজেকে সেট আপ করতেঃ

প্রথমেই আপনাকে ঠিক করে নিতে হবে কোন ধরণের কাজের পরিবেশ আপনি আপনার বিজনেসের জন্য তৈরি করতে চান। আপনি কি ল্যাপটপের সাহায্যে বিভিন্ন অবস্থান থেকে বিজনেস পরিচালনা করতে চান? বাসায় বসে কাজ করতে চান নাকি একটা অফিস ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করবেন?।  যে ধরণের ব্যবসাই আপনি করতে চান আপনার দরকার হবে নির্ভরযোগ্য কম্পিউটার যা আপনাকে পারফেক্ট ভাবে কাজ করতে সহায়তা করবে। মজার ব্যাপার হলো প্রতিটা ক্ষেত্রেই আপনার কাজে লাগার জন্য বিভিন্ন অপশন তৈরি করে রেখেছে প্রযুক্তি। বিভিন্ন দূরুত্বে অবস্থান করে যদি অনেক বিজনেস করার চিন্তা মাথায় ঘুরে তবে আপনি এইচপির টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ কিনে নিতে পারেন। এমনকি কফি শপ থেকে বিজনেস পরিচালনা করার জন্য গুনগত মানসম্পন্ন ল্যাপটপের দরকার হবে। যেহেতু আপনার প্ল্যাগ ইন করা ছাড়াই অনেক্ষন চালাতে হবে এবং অনেক বেশি স্টোরেজের প্রয়োজন পরবে তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া চাই ভেবে চিন্তে।

বাসায় বসেই যদি কাজ করার পরিকল্পনা করেন তবে ভেরিডেস্কের সাহায্যের দরকার হবে নিঃসন্দেহে। ভেরিডেস্ক ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টিভিটি বাড়িয়ে নিন কয়েক গুণ। কাজ করার স্পৃহা জাগিয়ে তুলতে এটি অতুলনীয়।

যোগাযোগ করুন দক্ষতার সাথেঃ

আপনি যেই বিজনেসেই নামুন না কেনো, আপনার অবশ্যই অন্য কোম্পানির সাথে ডিল করতে হবে। আর ডিল করার একমাত্র উপায় হচ্ছে যোগাযোগ।  কিন্তু হঠাত করেই আপনার কারো সাথে সাক্ষাৎ করার দরকার হলো, বা কোন একটা মিটিংয়ের আয়োজন করা লাগলো। কিন্তু দেখা গেলো যে একেক জন একেক জায়গায় অবস্থান করছে। কেউ ঢাকায় তো কেউ সিলেট। কেউ আবার ভোলা। বিশ্বের যে কোনো জায়গায় অবস্থান করে ক্লাইয়েন্ট, কর্মচারী, এমনকি পার্টনারদের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।

অথবা বিজনেস পার্টনার বা অন্য ক্লাইয়েন্ট কোম্পানী যদি ভিন্ন কোন শহরের হয় তবে তাদের সাথে মিটিং করাটা কষ্টসাধ্য হয়। এই সমস্যার সমাধানে Conferenceroomsystems.com ভিজিট করতে পারেন। অসংখ্য কনফারেন্স রুমের অপশন থেকে আপনি বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দ মতো।

তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখুন আপনার কার্যক্রমেরঃ

সময়ই টাকার জন্মদাতা। এজন্য চাই সময় গুলোর সদ্ব্যবহার। বড় বড় কোম্পানী গুলো কাজ ধরিয়ে দিয়ে সেটার একটা ডেডলাইন নির্ধারণ করে দেয়। আপনি কিভাবে কাজ সামলাবেন তা পুরোই আপনার উপর নির্ভর করে। কিন্তু যেহেতু প্রতিটা মুহূর্তই আপনাকে টাকা এনে দিতে পারে এজন্য সময়ের কাজ সময়েই করে ফেলা চাই। এজন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন টাইম ট্র্যাকিং টুল। প্রচুর টুল থাকলেও Toggl  এর ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। এই টুল আপনাকে বের করতে সাহায্য করবে যে কিভাবে এবং কোথায় কতটা সময় ব্যয় করছেন।

প্রচুর টুল থাকলেও Toggl  এর ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। এই টুল আপনাকে বের করতে সাহায্য করবে যে কিভাবে এবং কোথায় কতটা সময় ব্যয় করছেন।

এই টুলটি প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের সাথে ব্যবহার করুন, আপনার প্রোডাক্টিভিটি বাড়তে বাধ্য।

কোম্পানীর মার্কেটিংয়ের জন্য সবচেয়ে ভালো পদ্ধতির ব্যবহারঃ

যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার কোম্পানী বাইরে থেকে মার্কেটিং এজেন্সীকে ডাকার দরকার হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত মার্কেটিংয়ের কাজ গুলো আপনার নিজেরই সামলাতে হবে। সফটওয়্যার ব্যবহারের মাধ্যমে মার্কেটিংয়ের পরিপূর্ণ পরিকল্পনা করে ফেলুন।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম যেমন ফেইসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন খুবই সহজ এবং কার্যকর মাধ্যম হতে পারে আপনার কোম্পানীর প্রোমশনাল কাজ গুলো করার।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম যেমন ফেইসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন খুবই সহজ এবং কার্যকর মাধ্যম হতে পারে আপনার কোম্পানীর প্রোমশনাল কাজ গুলো করার। অথবা আপনি চাইলে ব্লগের মাধ্যমেও নিজের কোম্পানীর অফারিং কাস্টমারদের জানিয়ে দিতে পারেন। এমন পোস্ট লিখুন যেটা আপনার কাস্টমারদেরকে আগ্রহী করে তুলবে। তাদের জন্য পরামর্শ, টিপস লিখুন। তারপর সেগুলো ছড়িয়ে দিন সামাজিক মাধ্যম গুলোতে।

ব্যবহারকারীদের উপযোগী ওয়েবসাইট নির্মাণঃ

অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে এমন একটি ওয়েবসাইট নির্মাণ করা কাস্টমাররা যে প্ল্যাটফরম থেকেই সার্চ করুক না কেনো তারা সহজেই প্রবেশাধিকার পাবে। বাংলাদেশের মানুষ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মোবাইল ব্যবহার করে কোন একটা বিশেষ তথ্য খুঁজতে।

সুতরাং আপনি যদি কেবল পিসি দিয়ে প্রবেশ করা যায় এমন ওয়েবসাইট তৈরি করেন সেটা ইফেক্টিভ হবেনা। অতীতের কোন অভিজ্ঞতা না থাকা সত্বেও আপনি চাইলেই সহজ উপায়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। Sqaurespace ব্যবহার করে আপনি হাজারো লে আউট বা থিম পছন্দ করে অভাবনীয়রূপে তৈরি করতে পারেন আপনার সাইটটি।

সুতরাং আপনি যদি কেবল পিসি দিয়ে প্রবেশ করা যায় এমন ওয়েবসাইট তৈরি করেন সেটা ইফেক্টিভ হবেনা। অতীতের কোন অভিজ্ঞতা না থাকা সত্বেও আপনি চাইলেই সহজ উপায়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। Sqaurespace ব্যবহার করে আপনি হাজারো লে আউট বা থিম পছন্দ করে অভাবনীয়রূপে তৈরি করতে পারেন আপনার সাইটটি। এবং প্রতিনিয়ত আপডেট করতে পারেন খুব সহজেই।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কোম্পানীর প্রাথমিক অবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহারকে এড়িয়ে চলা হয়। কিন্তু আপনি যদি দূরদৃষ্টি সম্পন্ন ব্যক্তি হন, তবে এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই প্রতিদ্বন্দী থেকে এগিয়ে থাকবেন কয়েক যোজন।  শুধু একটু বুদ্ধির ব্যবহার করা চাই।